হাজার হাজার মন্ত্র শিখুন দ্বিতৃয় পেজ

সবুজের পরিক্ষীত মন্ত্র:

{tocify} $title={Table of Contents}

 চোখের ব্যাথা/ জ্বালা/ চোখে পানিপড়া মন্ত্রঃ

বিসমিল্লাহির রহমানির রাহিম  

কুল আউযুবিরাব্বিন নাছ

মালিকিন নাছ 

এলাহী নাছ

নাছ নাছ নাছ।।।

নিয়মঃ মন্ত্রটি ৪/৫ বার পাঠ করে চোখে ফু দিতে হবে।।   



দুধ কলেরা ভালো করা মন্ত্রঃ


কালু কান্দু দুই ভাই

শিশুর ঘির নন্দি রায়

যার থানের দুধ থাকে থাক

ওপরের দুধ বায়ে যাক

দোহাই আল্লা দোহাই সোলেমানের কিরা।। 


নিয়মঃ মন্ত্রটি তিনবার পাঠ করে পানিতে একবার ফু দিতে হবে।। এই ভাবে মোট তিনটি ফু দিতে হবে। সেই পানি মাকে তিনবার খাওয়াতে হবে।।  এবং অবশিষ্ট পানি স্তন ধুয়ে ফেলতে হবে।।।     


ফলহীন গাছের ফলধরানোর মন্ত্রঃ

পেরেক যার হুকুম আল্লাহ জব্বার

আপদ বালা যত কিছু আছে এগাছের।। 

জলদি কাটিয়া যা দোহাই রব্বে। 

হক লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মোহাম্মাদুর রসুলুল্লাহ।। 

নিয়মঃ ভাঙা নৌকা থেকে একটি পেরেক সংগ্রহ করতে হবে। তারপর মন্ত্রটি সাতবার পাঠ করে ফলহীন গাছে পুতে দিতে হবে।  তাহলে গাছে ফলহীন গাছে ফল ধরবে।। 



 ব্যাবসায়ে উন্নতি লাভের মন্ত্রঃ

আল্লাহ আজিম আল্লা ইয়া রাব্বানা,

ফলনার দোকানেতে দাও বেচাকেনা। 

দোহাই গাফুরের রাহিম

কসম তোমার লাগে আরসেল আজিম।। 


নিয়মঃ শ্রোতবতি নদি থেকে এক ঘট জল আনতে হবে।  তার পর ৪১ বার মন্ত্র পাঠ করতে হবে প্রতিবার ফু দিতে হবে।।  পরে যার দোকানে বেচাকেনা কম হয় তার দোকানে প্রতিদিন সকাল সন্ধ্যায় ছিটিয়েিতে হবে তাহলে বেচাকেনা বেশি হবে।।   


বিপদ হরণ করার মন্ত্রঃ 

ইয়া মালেকুল রহমান
হারবালা মুছিবে বুঝা দে আহসান। 

নিয়মঃ মন্ত্রটি এক নিঃশ্বাসে তিনবার পাঠ করে বুকের কাপড় খুলে সিনার উপর তিনটি ফু দিতে হবে।তারপর বন জঙ্গল কবর,শ্মশানে যেখানে যাও রাতে কিছুতেই ক্ষতি হবে না।। 




জ্বীন-ভুত ঝাড়া মন্ত্রঃ

মন্তর মন্তর মহা মন্তর করিনু যাপন।

আল্লাহ ও নবীর নাম করিয়া স্বরন

বাও বাতাসের ভূত ঝাড়ি মন্তরের জোরে।। 

আল্লাহ নবীর দোহাই তোর শিঘ্রি যা ছেড়ে।।


নিয়মঃ শুকনো মরিচ ও হলুদে মন্ত্রটি সাত বার পাঠ করে রোগির নাকে ধোয়া দিলে জ্বীন-ভুত চলে যাবে।।


ব্যাথা ব্যাথা ঝাড়া মন্ত্রঃ

দোহাই দোহাই দোহাই এলাহীর

আর যেন দোহাই যে হয়রত নবীর

মাথা ধরা শীঘ্র দূর হও অমুকের

দোহাই দিয়া বলিতেছি এলাহী রব্বে।।


নিয়মঃ একটু খাটি সরিষার তেলে মন্ত্রটি সাতবার পাঠ করে ফু দিতে হবে।। তেল কপালে ও চিপে মালিস করতে হবে।। তাহলে মাথা ধরা ভালো হয়ে যাবে।।  



রুগীর শরীরে জ্বীন হাজির করাঃ


লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ, বিসমিল্লাহ হিল

দেও, দানব,জ্বীন,পরী অমুকের অঙ্গে আয়

লোহার বজ্রফীল হাজির শাও,হাজির শাও, হাজির শাও  ।। 


নিয়মঃ মন্ত্রটি তিনবার পাঠ করে রোগীর মাথায় ফু দেওয়ার সাথে সাথে জ্বীন হাজির হবে।।।  



কুন্ডলীঃ


১। আকাশের দেউ পাতালের নাগ,খালে কুম্ভীর,

বনের বাঘেতে সোবের বর্কনি লোহার জামা গায়ে দিই।

 যাহা তাহা যায় যদি মোর কন্ট গা করছ আল্লা মোহাম্মদের দোহাই লাগে।।  ৭বার



২। কুন্ডলী কুন্ডলী সাব মুই দিলাম কুন্ডলী 

 চতুর দিকে অন্ধকার রামে দিল কুন্ডলী সার 

অমুকের অষ্ট মোকাম বন্ধ করিলাম মুই 

এই মন্ত্র যদি করচ গাঁ অদ্য দেবতার মাথা খা,

 ওঁ ঝঁ পট স্বাহা  ৭বার




আছরের ঝাড়াঃ

রামের বান লক্ষনের গুনবির দপাকরি 

ওরে শুন শনিবারে করিয়াছি যা মঙ্গল বারে উঠিয়া 

যা অমুকের সর্বঙ্গে চাড়িয়া রাক্ষসের কোলে চলিয়া যা, 

যা রে যা অমুককে চাড়িয়া যা দোহাই রামলক্ষনের দোহাই

 সীতাদেবীর হুঁ হুঁ হুঁ ছৌঁ ছৌঁ ছৌঁ হুংকারে চাড়

 দোহাই সোলেমান বাদশার চাড় ৭বার। 


১।নরসিং আছরের ঝাড়াঃ


বিসমিল্লাহির রহমানির রহিম, 

দোহাই আল্লাহ, দোহাই আল্লাহ,

 দোহাই খোদার,দোহাই খোদার,

দোহাই সোলেমান বাদশার,দোহাই সোলাইমান বাদশার, 

দোহাই নরসিংহের, দোহাই নরসিংহের। 



দ্বিতৃয় মন্ত্র:

চলিল নরসিং করিল গমন স্বর্গ মর্ত্য পাতাল কাপে এই তৃ-ভুবন, 

ঘর ভাঙ্গে দোয়ার ভাঙ্গে, ভাঙ্গে লোহার শিখল বায়ে বাতাস শুকে

 মায়ে তারে পূজে,দেউ পরী ভুত,প্রেরত,জক্ষ,দানব,

ডাগিনি মগিনি,যুগিনি,নির্মগ্যা নিটুর অংগা অলংকার, 

ক্ষেত্র পাল,সাম পরী,ফুল পরী,সাত বোন জল কুমারী,স্থল কুমারী,

৩০শ কোটি দেউ পরী, বান-টোনা যাদু চেহের জ্বর জারি,

দশা কজ্বা কালী তুর চারভেদ হেরেইন হইলে মারে মোর বাপ

 গুরু নরসিং হু হুংকার পরী জার লংকার দ্বার দোহাই তক্ত সোলেমান বাদশার ৭বার।।।।।। 



২। নরসিং গোঁসাই হাতে লইল বান 

আসমান জমিন কৈল্লাম খাঁন খাঁন

 ভূত-প্রেরৎ মারম ডলি মারম তালি

 মগধৈশ্বরী মায় ষোরশ মাত্রিকা

 চোরশ মাত্রিক মারমা মার আজ্ঞা

 কেতুরিয়া নরসিংহের আজ্ঞে ওঁ হুঁ রাঁর দ্রিঁ পট স্বাহা । 


নিয়মঃ (ওঁ হুঁ রাঁর দ্রিঁ পট স্বাহা) পাঠ করিয়া হাতে তিনটি তালি দিবে। 



রুগীর উপড় জ্বীন হাজির করা মন্ত্রঃ


১। দক্ষিণে নামিল রামের খুটি

 জুইগ্যা জুগিনী মইগ্যা মগিনী চান

 মগা মগিনী সেই পুস্তক রামের খাম

 রাম শ্রী কাম মাইলাম বান 

অমুকের অষ্ট গফুর মোহান চল চালান 

শিগ্রী চল যদি এই মন্ত্র লড়ে দুর্গাদেবীর জটা ছিড়ি ভুমিতে পড়ে।। 


২। রামের ধনু লক্ষণের বান 

লংকায় মারিলাম বান করিলাম খাঁন খাঁন। 

 যদি এই মন্ত্র লড়ে চড়ে

 ঈশ্বর মহাদেবর জটা ছিড়ি ভুমিতে পড়ে

 চল চালান চল অমুকের অষ্ট মোকাম জুরি শিগ্রী চল।।। 




জ্বীন হাজির চালানঃ


১। আলিফ আল্লাহর নাম মিমন্ত সেইনাম প্রচারিত হইল,

আলিফ লাম মিম জালিকাল কিতাবু লারাইবা ফিহি

 হুদাল লিল মুক্তাকিনাল লজিনা হুম আন চলাতিহিম 

ছাহুন ওয়ামমাযু নাল মায়ুন চল চালান চল 

অমুকের অষ্ট মোকামপ শিগ্রী চল দোহাই আল্লাহর।। 


কাল আছরের ১২ মাসি ঝাড়াঃ


উত মাত নরসিং পাগলা।  

নরসিং গজরু, নরসিং হাতে লইয়া বান

 তার ভয়ে পালায় বীর হনুমান বীর হনুমান 

নহে লংকার রাবন। প্রথমে ঝাড়া লবে কাল,

পরে ঝাড়া লবে পরি,তার পরে লবে মাত্রিকা,

তার পরে লবে জ্বীন,তার পরে লবে ভূত,

৬নং লবে প্রেরতী, ৭নং লবে জখুরাজা,

 ৮নং ঝাড়া লবে সিশাসি দেবতা, ৯নং ঝাড়া লবে বোবা দেবতা,

১০নং লবে গৌর দেবতা,১১নং লবে ৩৩কোটি জ্বীন পরী, 

১২নং লবে মুখ্য দেবতা অমুকের অষ্ট মোকাম ছাড়িয়া 

পাহাড়ে পর্বতে যা নদী নালায় যা গাছ গাছড়ায় যা 

আর যদি অমুকের সাথে করছ দেখা 

সোলেমানের তক্তভাঙ্গি যা তোর মাথায় পরে 

দোহাই ধর্মের যদি মন্ত্র লড়ে চড়ে ঈশ্বর মহাদেবের দোহাই লাগে।।  ৭বার




জ্বীন দেবতাকে বান মারন মন্ত্রঃ

ওঁ পূর্ব দিকে উঠে প্রভূ  

আগুনের কংঢুরি দুরান্ত কালির মাথায় তালি

 শষ্যের মাথায় তেল 

জ্বীন দেবতার অষ্ট অঙ্গে মারিলাম বান দোহাই কালির।।।


নিয়মঃ মন্ত্রটি তিনবার পাঠ করে জ্বীন ধরা রুগীর শরীরে ফু দিলে জ্বীন কষ্ট পাবে।। রুগীর শরীর থেকে চলে যেতে চাইলে বান কাটা মন্ত্র পাঠ করে ফু দিলে বান কেটে যাবে।। 


আরো পড়ুন.....



যেকোন বই ডাউনলোড করুন

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

1 মন্তব্যসমূহ